পিরোজপুরে ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ কর্মশালা
পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পত্তাশী ইউনিয়নের অধিবাসী সাধারণ নাগরিকদের অংশগ্রহণে হয়ে গেল ‘নাগরিক মতামতের ভিত্তিতে আমার গ্রাম আমার শহর বাস্তবায়নে করণীয় নিরুপণ’কর্মশালা। বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, তথ্য ও যোগযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং এটুআই এর আয়োজনে নাগরিক মতামতের ভিত্তিতে করণীয় নিরুপণ করা হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, ইউএসএইড এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশ এর সহায়তায় পরিচালিত এটুআই এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে।
কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন এবং প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এটুআই এর পরিচালক (ই-সার্ভিস) মো: আব্দুস সবুর মন্ডল, পিএএ। কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ইন্দুরকানী উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল আলম।
প্রসঙ্গত, ‘আমার গ্রাম - আমার শহর’ পাইলটিং ভিত্তিতে বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ০৮টি বিভাগের ০৮টি ইউনিয়নকে নির্বাচন করে। এর মধ্যে পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়নের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পাইলটিং এর প্রস্তুতি শুরু হলো।
কর্মশালায় পত্তাশী ইউনিয়নের কৃষক, শিক্ষক, ছাত্রসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার ১৪৪ জন নাগরিক অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীদের এটুআই-এর বিভিন্ন সেবার ভিত্তিতে ১২টি বিষয়ভিত্তিক দলে ভাগ করা হয়। উপজেলা পর্যায়ের সকল কর্মকর্তাবৃন্দ সম্পৃক্ত বিষয়ভিত্তিক দলগুলোতে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন। প্রত্যেকটি দলের কাছ থেকে প্রথমে তাঁদের বর্তমান জীবন ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ ও সংকটসমূহ জানতে চাওয়া হয়। এরপর অংশগ্রহণকারীরা গ্রামে শহরের কী কী নাগরিক সুযোগ সুবিধা পেতে চান এবং কীভাবে পেতে চান তা একটি বোর্ডে লিপিবদ্ধ করেন। বিকালে দ্বিতীয় অধিবেশনে নিজেদের জীবনযাপনের চ্যালেঞ্জ ও প্রত্যাশা এটুআই কর্মকর্তাদের কাছে উপস্থাপন করেন তারা।
এরপর এটুআই কর্মকর্তারা নাগরিক সুবিধা সম্বলিত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নির্ভর বিভিন্ন সেবা সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের অবহিত করেন। কর্মশালার অধিবেশনসমূহ পরিচালনা করেন এটুআই-এর প্রোগ্রাম অ্যাসোসিয়েট খন্দকার শাহ্নূর সাব্বির ও ন্যাশনাল কনসালটেন্ট মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।